This is this sidebar for a particular page. It can be edited by editing a page from within the control pannel.

খ্রিষ্টধর্ম অনুযায়ী, যীশুর অলৌকিক কার্যাবলি তাঁর ঈশ্বরপ্রদত্ত ক্ষমতার প্রকাশ। New Testament-এ বর্ণিত বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে দেখা যায় যে তিনি মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব এবং ঈশ্বরের রাজ্যের আগমনের বার্তা প্রচারের জন্য অলৌকিক কাজ সম্পাদন করেছিলেন।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী তাঁর উল্লেখযোগ্য অলৌকিক কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে:
খ্রিষ্টানদের মতে, এসব ঘটনা শুধু আশ্চর্যজনক ক্ষমতার প্রদর্শন নয়; বরং মানুষের প্রতি ঈশ্বরের ভালোবাসা ও করুণার নিদর্শন।
ইতিহাসবিদরা সাধারণত অলৌকিক ঘটনার সত্যতা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ বা অপ্রমাণ করার চেষ্টা করেন না। বরং তাঁরা এসব ঘটনার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব বিশ্লেষণ করেন।
অনেক গবেষকের মতে, প্রথম শতাব্দীর Judea অঞ্চলে অলৌকিক নিরাময়কারী ও ধর্মীয় প্রচারকদের গল্প প্রচলিত ছিল। যীশুর অলৌকিক কার্যাবলির বিবরণ তাঁর অনুসারীদের বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন হতে পারে। ঐতিহাসিকভাবে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে যীশু একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় শিক্ষক ছিলেন এবং অনেক মানুষ তাঁকে অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী বলে বিশ্বাস করত।
কিছু গবেষক মনে করেন, এসব ঘটনার মধ্যে প্রতীকী অর্থও নিহিত রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, অন্ধকে দৃষ্টি দেওয়ার ঘটনা আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভের প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহাসিক গবেষণা ভিন্ন পদ্ধতিতে বিষয়টিকে মূল্যায়ন করে। ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে অলৌকিক কার্যাবলি ঈশ্বরের শক্তির বাস্তব প্রকাশ, আর ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গিতে এগুলো যীশুর প্রভাব, জনপ্রিয়তা এবং তাঁর অনুসারীদের বিশ্বাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। উভয় ক্ষেত্রেই এসব ঘটনা যীশুর জীবন ও শিক্ষার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
যীশুর অলৌকিক কার্যাবলি খ্রিষ্টধর্মের একটি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশ্বাসীদের কাছে এগুলো তাঁর ঐশ্বরিক পরিচয়ের প্রমাণ, আর ইতিহাসবিদদের কাছে এগুলো প্রাচীন ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক বাস্তবতার মূল্যবান উপাদান। ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থাকা সত্ত্বেও, এসব ঘটনা মানবসভ্যতার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গভীর প্রভাব রেখে গেছে।