This is this sidebar for a particular page. It can be edited by editing a page from within the control pannel.

একটু আগে আমরা জানলাম যে অন্ধাকারে থাকার বিষয়ে। অন্ধকার মানে সত্য না জানা বা ভুলকে সত্য মনে করা। মানুষ তখন সঠিক ভুল পার্থক্য করতে পারে না এবং নিজের সিদ্ধান্তকেই সঠিক মনে করে, যদিও তা ক্ষতিকর।
তাই মানুষ হিসেবে আমাদের জানা দরকার যে আমাদের অবস্থান আসলে কোথায় অন্ধকারে নাকি আলোতে। আর যখন আমারা বুঝতে পারবো যে আমাদের অবস্থান আসলে অন্ধকারে তখনই আমরা আলোর খোজ করতে পারবো।
আলো আমাদেরকে ভালো মন্দ বুঝতে বা দেখতে সাহায্য করে। আলো সত্যকে বুঝতে সাহায্য করে। অন্ধকার মানে শুধু আলো না থাকা নয়, বরং খোদার সত্য, পথ ও ইচ্ছা থেকে দূরে থাকা। এখন প্রশ্ন হলো, যদি আমরা অন্ধকারে থাকি, তাহলে সেখান থেকে আলোতে আসার পথ কী?
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আলো মানে ন্যায়, সত্য ও খোদার ইচ্ছার পথে চলা। আলো মানে এমন একটি জীবন, যেখানে মানুষ নিজের ইচ্ছাকে নয়, বরং খোদার ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেয়। কিন্তু এই পথে চলা মানুষের একার পক্ষে সম্ভব নয়।
আমরা তখনই ন্যায় পথে চলতে পারি, যখন খোদা আমাদের অন্তরে বাস করেন (কিভাবে) । কারণ মানুষের অন্তর যদি খোদার আলোতে পূর্ণ না হয়, তাহলে বাহ্যিক ভালো কাজও অনেক সময় স্বার্থ বা অহংকারে ভরে যায়। খোদার আলো প্রথমে আমাদের অন্তরকে পরিবর্তন করে, তারপর আমাদের কাজ, কথা ও সিদ্ধান্তকে পরিবর্তন করে।
অন্ধকার থেকে আলোতে আসার প্রথম বিষয় হলো নিজের অবস্থান স্বীকার করা। যখন মানুষ বুঝতে পারে, “আমি ভুল পথে আছি”, তখনই পরিবর্তনের দরজা খুলে যায়। অহংকার মানুষকে অন্ধকারে আটকে রাখে, আর বিনয় মানুষকে আলোর দিকে নিয়ে যায়।
দ্বিতীয় বিষয় হলো খোদার দিকে ফিরে আসা। খোদার কাছে ফিরে আসা মানে শুধু মুখে বলা নয়, বরং জীবনের দিক পরিবর্তন করা। কোন পথে আমি চলছি, কার জন্যে আমি কাজ করছি, আমার সিদ্ধান্তগুলো কাকে সন্তুষ্ট করছে এই প্রশ্নগুলো নিজের কাছে করা জরুরি।
তৃতীত হলো খোদার সত্য অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা। আলোতে চলা মানে নিখুঁত হওয়া নয়, বরং প্রতিদিন সত্যকে আঁকড়ে ধরা। আলোতে চলার পথে বাধা আসবে, কষ্ট আসবে, কিন্তু সেই কষ্ট অন্ধকারের মতো পথ হারিয়ে ফেলার নয় বরং তা মানুষকে আরো পরিপক্ব করে।
আলো কোনো দূরের বিষয় নয়। আলো তখনই আসে, যখন খোদাকে আমরা আমাদের জীবনের কেন্দ্রে রাখি। খোদা যেখানে থাকেন, সেখানে অন্ধকার থাকতে পারে না। আর যে জীবন আলোতে চলে, সে জীবন শুধু নিজেকে নয় অন্যদেরও আলো দেখায়।
তাহলে আপনারা মনে এখন নিশ্চয় প্রশ্ন আসছে যে খোদাকে অন্তরে রাখা? বা আলো কিভাবে খোদা? নিচে তার বিষয়ে বলা হয়েছে………!